Eimply dummy text printing ypese tting industry.
Eimply dummy text printing ypese tting industry.
Eimply dummy text printing ypese tting industry.
অবস্থানঃ প্রমিজ রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুলটি সাভার থানাধীন শাহীবাগ মাতৃবাগান মজিদ সংলগ্ন, চাপাইন রোডে অবস্থিত।
প্রতিষ্ঠাকালঃ
* ইবতেদায়ী (প্রাথমিক) ০১ জানুয়ারি ২০২১ ইং
* সভাপতিঃ প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ০০০০০ তিনি বর্তমানে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ
আধুনিক শিক্ষার সাথে সমন্বয় রেখে জাতীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতি সাধনের লক্ষ্যে একদল সৎ, যোগ্য, দেশ প্রেমিক, দক্ষ জনশক্তি ও সু-নাগরিক গড়ে তোলা।
মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ আল মামুন সবুজ
বি. এ. অনার্স, প্রথম শ্রেনিতে প্রথম (ইস স্টাডিজ
বিশেষ অর্জনঃ
(১) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়জিত জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে ২০১৬-২০১৯ খ্রিঃ ৩য় বারের মত ঢাকা মহানগরীর শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ নির্বাচিত ।
(২) শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য “স্বাধীনতা সংসদ অ্যাওয়ার্ড-২০১৭” অর্জন।
(৩)শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য “ শেরে-বাংলা শাইনিং পারসোনালিটি অ্যাওয়ার্ড-২০১৭” অর্জন।
আমাদের অর্জন
২০২১ সালে বাংলাদেশ মাদরাসা বোর্ডে দাখিল পরীক্ষায় “সরকারী বৃত্তিতে সমগ্র বাংলাদেশে ট্যালেন্টপুলে ১ম ও ২য় স্থান লাভ করেছে।” অত্র মাদরাসাটি সরকারীভাবে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব প্রাপ্ত হয়েছে ঢাকা মহানগরীর শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে প্রায় প্রতি বছরই মাদরাসাটি মাদরাসা বোর্ড কর্তৃক প্রদত্ত পঞ্চম, ৮ম, দাখিল ও আলিম শ্রেণির একাধিক বৃত্তি লাভ করে আসছে। এছাড়াও শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ ‘স্বাধীনতা সংসদ এডুকেশন এ্যাওয়ার্ড-২০১৭’, ‘শেরে বাংলা শাইনিং পার্সোনালিটি এ্যাওয়ার্ড-২০১৭’ এ ভুষিত হন।
মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ আল মামুন সবুজ
অধ্যক্ষ
প্রমিজ রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল।
প্রধান শিক্ষকের বাণী
সুন্দর আগামীর প্রত্যাশায়, এই কথাটিকে বাস্তবে রূপ দেওয়াই আমার লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য। সম্মাননীয় শিক্ষানুরাগী অভিভাবকবৃন্দ, শিক্ষার্থীবৃন্দ, শিক্ষকমণ্ডলী সকলকে প্রমিজ রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুলের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। এই বিদ্যালয়ের ওয়েব সাইট সরকারের ভিশন ২০২১ এর সাথে একাত্মতা প্রকাশ করছি। স্নেহের শিক্ষার্থীবৃন্দ, প্রমিজ রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল শিক্ষার্থীদের শুধু পুঁথিগত বিদ্যা ও কাগজি সার্টিফিকেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখে না। সাভারে ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ ২০১২ সাল থেকে শিক্ষা বিস্তারে অগ্রণী ভূমিকার স্বাক্ষর রেখে চলেছে। পড়ালেখার পাশাপাশি বিভিন্ন কো-কারিকুলাম এক্টিভিটিস এর মাধ্যামে শিক্ষার্থীদের সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধের জাগরণ ঘটানোর চেষ্টা করে চলেছে। বর্তমানের এই আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক যুগে অলসভাবে সময় অতিবাহিত করার কোনো সুযোগ নেই। পরিবর্তিত কারিকুলাম ও সিলেবাসের ভিত্তিতে সঠিক পদ্ধতিতে পাঠ গ্রহণের ও অনুশীলনের জন্য বিদ্যালয়ের কোনো বিকল্প নেই। বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ একদিকে যেমন সুশিক্ষিত অপর দিকে পরিবর্তিত কারিকুলাম ও নতুন শিখন পদ্ধতির উপর প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত। কাজেই কোনো বিষয়ে না ভেবে নিয়মিত বিদ্যালয়ে এসে প্রশিক্ষিত শিক্ষকদের সান্নিধ্যে পাঠ গহণ করে নিজেদেরকে ভবিষতের জন্য যথার্থরূপে তৈরি করা সম্ভব। এ পর্যন্ত যত শিক্ষার্থী উল্লেখযোগ্য সফলতা অর্জন করেছে তারা প্রত্যেকেই নিয়মিত ছাত্র ছিল। মনে রাখবে শিক্ষা কোন করুণা নয়। শিক্ষা তোমাদের অধিকার। কাজেই পাঠের কোন বিষয়ে দুর্বোধ্য মনে হলে শিক্ষকগণকে প্রশ্ন করে জেনে নেবে। এই ব্যাপারে আমার শিক্ষকগণ খুবই আন্তরিক।
সম্মাননীয় অভিভাবকবৃন্দ,
আপনাদের জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদটিকে সুন্দর ও কাঙ্ক্ষিত রূপে রূপায়ণ করার মানসে আমাদের কাছে অর্পণ করে থাকেন। আর আমরা শিক্ষকগণ আমাদের মেধা ও আন্তরিকতার সাথে আপনার সম্পদটিকে কাঙ্ক্ষিত রূপে রূপায়ণের চেষ্টা করি। আপনার সন্তান হয়তো বা একজন বা দুজন। আর আমাদের কাজ করতে হয় বিভিন্ন পরিবার ও বিভিন্ন পরিবেশ হতে আগত বৈচিত্র্যময় শিক্ষার্থীদের নিয়ে। এই ক্ষেত্রে আপনাদের আন্তরিক সহযোগিতা ভিন্ন এই কর্মযজ্ঞে সফলতা আনয়ন করা খুবই কষ্টসাধ্য। একজন শিক্ষার্থী বিদ্যালয় 'চলাকালীন' রাত-দিন ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৫ থেকে ৬ ঘন্টা বিদ্যালয়ে অবস্থান করে এবং বাকি সময় আপনাদের সাহচর্যে থাকে। কাজেই তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রেখে বিদ্যালয়ের নিয়ম- কানুন এর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার মানসিকতা সম্পন্ন করে নিয়মিত বিদ্যালয়ে পাঠিয়ে আমাদের
সহযোগিতা করবেন। এছাড়া আপনার সন্তান নিয়মিত স্কুল প্রদত্ত বাড়ির কাজ করে কি-না, সবার সাথে সৌজন্যমূলক আচরণ করে কি-না খেয়াল রাখবেন। বিদ্যালয়ের সাথে যোগাযোগ রাখবেন।
প্রিয় সহকর্মী শিক্ষকবৃন্দ,
সর্বপ্রথম বিগত বছরের বিদ্যালয়ের সকল সফলতার জন্য আপনাদের অবদান কৃতজ্ঞতাচিত্তে স্মরণ করি। আপনারা প্রতিবছর আপনাদের মেধা, মনন, দক্ষতা, শ্রম অভিজ্ঞতা ও আন্তরিকতার সহিত কোমলমতি শিক্ষার্থীদের গঠন করে থাকেন। প্রতিবছর শিক্ষাক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন পরিবর্ধন আসে। এ সকল পরিবর্তন পরিবর্ধন আপনারা সাদরে গ্রহণ করে শিক্ষার্থীদের যথাযথ শিক্ষাদানে নিবেদিত থাকেন। এবারও সরকার প্রদত্ত নতুন শিক্ষা নীতি ও কারিকুলাম এর উপর আপনারা ইতোমধ্যে প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। আশাকরি আগামী দিনগুলো নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে সফল ভাবে অতিবাহিত করবেন।
পরিশেষে নতুন বছর ও নতুন শিক্ষাবর্ষ আপনাদের সকলের জীবনকে সমৃদ্ধময় করে তুলুক এই
শুভকামনা রইল সবার প্রতি
মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ আল মামুন সবুজ
অধ্যক্ষ
প্রমিজ রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল।
প্রধান শিক্ষকের বাণী
সুন্দর আগামীর প্রত্যাশায়, এই কথাটিকে বাস্তবে রূপ দেওয়াই আমার লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য। সম্মাননীয় শিক্ষানুরাগী অভিভাবকবৃন্দ, শিক্ষার্থীবৃন্দ, শিক্ষকমণ্ডলী সকলকে প্রমিজ রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুলের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। এই বিদ্যালয়ের ওয়েব সাইট সরকারের ভিশন ২০২১ এর সাথে একাত্মতা প্রকাশ করছি। স্নেহের শিক্ষার্থীবৃন্দ, প্রমিজ রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল শিক্ষার্থীদের শুধু পুঁথিগত বিদ্যা ও কাগজি সার্টিফিকেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখে না। সাভারে ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ ২০১২ সাল থেকে শিক্ষা বিস্তারে অগ্রণী ভূমিকার স্বাক্ষর রেখে চলেছে। পড়ালেখার পাশাপাশি বিভিন্ন কো-কারিকুলাম এক্টিভিটিস এর মাধ্যামে শিক্ষার্থীদের সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধের জাগরণ ঘটানোর চেষ্টা করে চলেছে। বর্তমানের এই আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক যুগে অলসভাবে সময় অতিবাহিত করার কোনো সুযোগ নেই। পরিবর্তিত কারিকুলাম ও সিলেবাসের ভিত্তিতে সঠিক পদ্ধতিতে পাঠ গ্রহণের ও অনুশীলনের জন্য বিদ্যালয়ের কোনো বিকল্প নেই। বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ একদিকে যেমন সুশিক্ষিত অপর দিকে পরিবর্তিত কারিকুলাম ও নতুন শিখন পদ্ধতির উপর প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত। কাজেই কোনো বিষয়ে না ভেবে নিয়মিত বিদ্যালয়ে এসে প্রশিক্ষিত শিক্ষকদের সান্নিধ্যে পাঠ গহণ করে নিজেদেরকে ভবিষতের জন্য যথার্থরূপে তৈরি করা সম্ভব। এ পর্যন্ত যত শিক্ষার্থী উল্লেখযোগ্য সফলতা অর্জন করেছে তারা প্রত্যেকেই নিয়মিত ছাত্র ছিল। মনে রাখবে শিক্ষা কোন করুণা নয়। শিক্ষা তোমাদের অধিকার। কাজেই পাঠের কোন বিষয়ে দুর্বোধ্য মনে হলে শিক্ষকগণকে প্রশ্ন করে জেনে নেবে। এই ব্যাপারে আমার শিক্ষকগণ খুবই আন্তরিক।
সম্মাননীয় অভিভাবকবৃন্দ,
আপনাদের জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদটিকে সুন্দর ও কাঙ্ক্ষিত রূপে রূপায়ণ করার মানসে আমাদের কাছে অর্পণ করে থাকেন। আর আমরা শিক্ষকগণ আমাদের মেধা ও আন্তরিকতার সাথে আপনার সম্পদটিকে কাঙ্ক্ষিত রূপে রূপায়ণের চেষ্টা করি। আপনার সন্তান হয়তো বা একজন বা দুজন। আর আমাদের কাজ করতে হয় বিভিন্ন পরিবার ও বিভিন্ন পরিবেশ হতে আগত বৈচিত্র্যময় শিক্ষার্থীদের নিয়ে। এই ক্ষেত্রে আপনাদের আন্তরিক সহযোগিতা ভিন্ন এই কর্মযজ্ঞে সফলতা আনয়ন করা খুবই কষ্টসাধ্য। একজন শিক্ষার্থী বিদ্যালয় 'চলাকালীন' রাত-দিন ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৫ থেকে ৬ ঘন্টা বিদ্যালয়ে অবস্থান করে এবং বাকি সময় আপনাদের সাহচর্যে থাকে। কাজেই তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রেখে বিদ্যালয়ের নিয়ম- কানুন এর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার মানসিকতা সম্পন্ন করে নিয়মিত বিদ্যালয়ে পাঠিয়ে আমাদের
সহযোগিতা করবেন। এছাড়া আপনার সন্তান নিয়মিত স্কুল প্রদত্ত বাড়ির কাজ করে কি-না, সবার সাথে সৌজন্যমূলক আচরণ করে কি-না খেয়াল রাখবেন। বিদ্যালয়ের সাথে যোগাযোগ রাখবেন।
প্রিয় সহকর্মী শিক্ষকবৃন্দ,
সর্বপ্রথম বিগত বছরের বিদ্যালয়ের সকল সফলতার জন্য আপনাদের অবদান কৃতজ্ঞতাচিত্তে স্মরণ করি। আপনারা প্রতিবছর আপনাদের মেধা, মনন, দক্ষতা, শ্রম অভিজ্ঞতা ও আন্তরিকতার সহিত কোমলমতি শিক্ষার্থীদের গঠন করে থাকেন। প্রতিবছর শিক্ষাক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন পরিবর্ধন আসে। এ সকল পরিবর্তন পরিবর্ধন আপনারা সাদরে গ্রহণ করে শিক্ষার্থীদের যথাযথ শিক্ষাদানে নিবেদিত থাকেন। এবারও সরকার প্রদত্ত নতুন শিক্ষা নীতি ও কারিকুলাম এর উপর আপনারা ইতোমধ্যে প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। আশাকরি আগামী দিনগুলো নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে সফল ভাবে অতিবাহিত করবেন।
পরিশেষে নতুন বছর ও নতুন শিক্ষাবর্ষ আপনাদের সকলের জীবনকে সমৃদ্ধময় করে তুলুক এই
শুভকামনা রইল সবার প্রতি